বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১ মাঘ, ১৪৩২
শিরোনাম:
আমি পড়িব ফাঁসি বিজিবির তৎপরতায় ধামইরহাটে মাদকসহ দুই ব্যক্তি আটক মানবতার টানে শীতার্ত মানুষের পাশে প্রগতি যুব সংগঠন মৌলভী চা বাগানে শীতবস্ত্র বিতরণ শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের অভিযানে ৮টি মামলার ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী গ্রেফতার। জয়পুরহাট জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হলেন আফরোজা খানম চৌধুরী মহা নায়িকা সাতক্ষীরা থেকে তিনজন সাহিত্যিক পাচ্ছেন জেলা সাহিত্য পরিষদ সম্মাননা-২০২৬ কবি আকাশ এর আমাদের গ্রাম-ময়নামতি চর কবিতার কবি বন্দে আলী মিয়ার কবর জিয়ারত Khan Selim Rahman wishes journalist Abdul Malek on his birthday রাজশাহীতে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দলিল লেখক সমিতির মতবিনিময় সভা রাজশাহী তে পুলিশের ঝটিকা অভিযানে ২ হাজার ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী আটক পাঁচবিবির তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ পাঁচবিবিতে নিখোঁজ ছেলের সন্ধ্যানে উদগ্রীব পরিবার I remember your soul পার্কের নামে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালনা করার অপরাধে পার্ক মালিকের ৬০ হাজার জরিমানা কেশবপুরে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত কেশবপুরের পাঁজিয়ায় কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কেশবপুরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল গোদাগাড়ীতে খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় শোক সভা পাবনা জেলা আ.লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও বিশিষ্ট সংগীত শিল্পীর চির প্রস্থান চা শ্রমিকদের সেবক সংগঠনের উদ্যোগে তিন চা বাগানে শীতবস্ত্র বিতরণ। ‎পাঁচবিবিতে শর্ট পিস ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ‎ ‎পাঁচবিবিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল বেগম খালেদা জিয়া ঐক্যের প্রতীক হয়ে ইতিহাসে থাকবেন- আজিজুল বারী হেলাল প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে ঘেরের পানি নিষ্কাশন অব্যহত, বোরো চাষীরা বিপাকে সাতবাড়িয়ায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা দোয়া মাহফিল রাজশাহীর বাঘা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচওর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ হাল্ট প্রাইজ অ্যাট ইউল্যাবের মানবিক উদ্যোগ কেশবপুর উপজেলায় স্থায়ী জলাবদ্ধতায় সংকটে পড়েছে ১২টি গ্রামের হাজারো মানুষ

সারের বাজারে অস্থিতিশীলতা চরমে: অতিরিক্ত দাম ও সিন্ডিকেটের চাপে দিশেহারা কৃষকরা

নিউজ ডেস্ক।। আপডেটঃ বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১৩ অপরাহ্ণ 55 বার পড়া হয়েছে

গোদাগাড়ী প্রতিনিধি: মোঃ আতিকুর রহমান,

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সারের বাজারে শুরু হয়েছে অস্বাভাবিক অস্থিরতা। সরকারি নির্ধারিত মূল্য যেখানে প্রতি বস্তা ১,০৫০ টাকা, সেখানে মাঠপর্যায়ের অসাধু ডিলাররা জোর করে সেই একই সার ১,৭০০ থেকে ১,৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছেন। এতে সাধারণ ও প্রান্তিক কৃষকের উপর চাপ বাড়ছে বহুগুণে। কৃষকরা বাধ্য হয়ে সরকার নির্ধারিত দামের প্রায় দ্বিগুণ মূল্য দিয়ে সার কিনতে হচ্ছে।
চাষাবাদের মৌসুমে সার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। অথচ সেই সার কিনতেই কৃষকদের এখন বাজেটের বাইরে যেতে হচ্ছে। একাধিক কৃষক অভিযোগ করে জানান—
বস্তায় স্পষ্টভাবে ১,০৫০ টাকা লেখা থাকলেও ডিলাররা স্টক নেই, সার পাওয়া যাচ্ছে না, উপর থেকে দাম বেড়েছে—এই ধরনের অজুহাত দেখিয়ে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন।
নির্ধারিত দামে সার চাইলে ডিলাররা প্রকাশ্যে হুমকি দেন—“নিলে নিন, না নিলে নাই। আমাদের কিছু করার নেই।”
অনেকে অভিযোগ করেছেন, বরাদ্দ করা সরকারি সার গোপনে অন্যত্র পাচার করা হচ্ছে, আর বাজারে তৈরি করা হচ্ছে কৃত্রিম সংকট।
কৃষকদের মতে, এই পরিস্থিতি নতুন নয়। প্রতি মৌসুমেই সারের বাজারে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। তারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ফেলে বাড়তি মুনাফার লোভে।
তবে প্রশ্ন উঠছে—
প্রশাসনের নজরদারি না থাকা, নিয়মিত বাজার মনিটরিং না হওয়া, ডিলার লাইসেন্স বাতিলের মতো কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এ ধরনের অনিয়ম যেন আরও উৎসাহিত হচ্ছে।
সারের অতিরিক্ত দামে প্রভাব পড়ছে সরাসরি উৎপাদন খরচে। বিশেষ করে ধান, আলু, গম, পেঁয়াজ, সবজি—সব ধরনের ফসল উৎপাদনে খরচ বেড়ে যাচ্ছে ২৫–৩০ শতাংশ পর্যন্ত। একজন কৃষকের মতে—
“যখন সার কিনতেই ৭০০ টাকা বেশি দিতে হবে, তখন আমরা লাভ কোথা থেকে করবো? জমি চাষেই তো হাত গুটিয়ে বসতে হবে।”
চাষাবাদ কমে গেলে সামনে খাদ্য সংকটের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না, বলে মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।
দেশের কৃষক সমাজ প্রশাসনের কাছে কয়েকটি দাবি জানিয়েছে—
অতিরিক্ত দাম নেওয়া ডিলারদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক জরিমানা, লাইসেন্স বাতিল ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।
উপজেলা পর্যায়ে মনিটরিং সেল গঠন করে প্রতিদিন দাম তদারকি।
বাজার ও কৃষি অফিসে দামের তালিকা প্রকাশ করে কঠোর নজরদারি
গোপন ক্যামেরা, মোবাইল কোর্ট ও কৃষি অফিসের মাধ্যমে বিশেষ নজরদারি।
দেশের কৃষকরা আজ মহাসংকটের মুখে। সারের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের মূল্য যদি সিন্ডিকেটের হাতে বন্দি থাকে, তবে কৃষকরা উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারবে না। আর কৃষক না বাঁচলে কৃষিও বাঁচবে না, খাদ্য নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়বে।
এ বিষয়ে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ না নিলে সামনে দেশের কৃষিতে বড় ধরনের বিপর্যয় আসন্ন—এমন আশঙ্কাই দেখা দিচ্ছে সাধারণ মানুষের মনে।

মন্তব্য

আপলোডকারীর তথ্য

Sohel

আপলোডকারীর সব সংবাদ