পাবনা থেকে নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলাধীন ফৈলজানা ইউনিয়নের হালিমপুর হিড়িন্দা বাজারস্থ মনোয়ারা হালিম পাবলিক লাইব্রেরীর উদ্যোগে ৫৪তম শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দোওয়া-আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ এর সভাপতিত্বে
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর ২০২৫) সকাল
এগারো ঘটিকার সময় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোওয়া মাহফিল আলোচনায় অংশ নিয়ে নেংড়ী কৃষ্ণরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ কামরুল হাসান মাস্টার বলেন, আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে আজো মুক্তি পাইনি। স্বাধীনতা পেয়েছি নামে কাগজ-কলমে কিন্তু স্বার্থক স্বাধীনতা আজোও অর্জিত হয়নি। এছাড়াও আরো বক্তব্য রাখেন মোঃ আমিরুল ইসলাম মাস্টার, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী
মোঃ সাইফুল ইসলাম, কাওসার আলম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রজনী আফরোজ বন্যা সহ আরো কলেজ শিক্ষার্থীরা, মনোয়ারা হালিম পাবলিক লাইব্রেরীর প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি, অনুষ্ঠানের সভাপতি, পাবনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী, অ্যাডভোকেট এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ তার বক্তব্যে বলেন,
পাকিস্তানের নির্যাতন নিষ্প্রেষন থেকে মুক্তির লক্ষে ১৯৪৮ সাল থেকে আন্দোলন করে আসছি। তারই প্রেক্ষিতে পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে ভাষা আন্দোলনের বীজ বোপিত হয়। ধীরে ধীরে দৃশ্যত হয়ে দানা বেঁধে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে বাংলার জয় নিশ্চিত করে। কিন্তু তবুও আমরা ক্ষমতা পাইনি, উল্টো আরো স্বশস্ত্র আক্রমণ শুরু হয়। স্বাধীনতা ঘোষণা করেন ম্যান্ডেডধারী নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব! বন্দী হন শেখ মুজিবুর রহমান তাকে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। জাতীয় চার নেতার নেতৃত্বে প্রবাসী সরকার গঠিত হয় বাংলাদেশকে এগারোটি সেক্টরে বিভক্ত করে জেনারেল ওসমানীকে সেনাবাহিনীর প্রধান করে মুক্তিযুদ্ধ চলতে থাকে। প্রতিবেশী ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর সহযোগিতা ও নির্দেশে মিত্র বাহিনী বাংলাদেশের পক্ষে যুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। এক কোটি শরনার্থীদের আশ্রয় দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ অস্ত্র দিয়ে সহয়তা করেন ভারত। পৃথিবীতে একমাত্র দেশ যে,
প্রতিবেশী বাংলাদেশকে সাহায্য করতে এসে সাতাশ হাজার স্বশস্ত্র সৈনিক কে শহীদ করে এবং তাদের মৃতদেহও নিজ দেশে ফেরত নিয়ে যেতে পারেনি। আমি প্রতিবেশী ভারতের সেদিনের অবদান ও ত্যাগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সেই সাথে প্রতিবাদও জানাচ্ছি বাংলাদেশের অভ্যান্তরীন বিষয়ে কথা বলা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে বার বার কটু অযাচিত অশোভনীয় কথা বলার জন্য।
অ্যাডভোকেট এস এম মনিরুজ্জামান আকাশ আরো বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে ও গনতান্ত্রিক সকল আন্দোলনে নিহত সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সকল শহীদ বুদ্ধিজীবীসহ সকল বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং আপনাদের সকলের কাছে দোওয়া চাই সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায়।আপনারা সকলেই দোওয়া করবেন।
পবিত্র কালামে পাক থেকে তেলোয়াত করেন ও দোওয়া মাহফিল পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মোঃ আমির হামজা শুভ।
মন্তব্য