বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১ মাঘ, ১৪৩২
শিরোনাম:
কেশবপুরে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল চুকনগর দিব্যপল্লী মাঃ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রঃ শিক্ষকের স্ত্রীর পরলোকে গমন কিশোরগঞ্জে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার-২ “৭০,পাবনা–৩ এলাকার সাধারণ নাগরিক-ভোটারদের উদ্দেশ্যে দুটি কথা “ রাজশাহীর মোহনপুর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ডিবি তদন্তেও দমে নেই সোহরাব বাহিনী নাটোরে পঙ্গু শ্রমিকের জমি দখল করে সেই টাকায় মামলা লড়ছে ভূমিদস্যুরা খাগড়াছড়িতে নির্বাচন কালীন সাংবাদিকদের করণীয় বিষয়ক দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ আমি পড়িব ফাঁসি বিজিবির তৎপরতায় ধামইরহাটে মাদকসহ দুই ব্যক্তি আটক মানবতার টানে শীতার্ত মানুষের পাশে প্রগতি যুব সংগঠন মৌলভী চা বাগানে শীতবস্ত্র বিতরণ শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশের অভিযানে ৮টি মামলার ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামী গ্রেফতার। জয়পুরহাট জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হলেন আফরোজা খানম চৌধুরী মহা নায়িকা সাতক্ষীরা থেকে তিনজন সাহিত্যিক পাচ্ছেন জেলা সাহিত্য পরিষদ সম্মাননা-২০২৬ কবি আকাশ এর আমাদের গ্রাম-ময়নামতি চর কবিতার কবি বন্দে আলী মিয়ার কবর জিয়ারত Khan Selim Rahman wishes journalist Abdul Malek on his birthday রাজশাহীতে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দলিল লেখক সমিতির মতবিনিময় সভা রাজশাহী তে পুলিশের ঝটিকা অভিযানে ২ হাজার ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী আটক পাঁচবিবির তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ পাঁচবিবিতে নিখোঁজ ছেলের সন্ধ্যানে উদগ্রীব পরিবার I remember your soul পার্কের নামে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালনা করার অপরাধে পার্ক মালিকের ৬০ হাজার জরিমানা কেশবপুরে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত কেশবপুরের পাঁজিয়ায় কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কেশবপুরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল গোদাগাড়ীতে খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় শোক সভা পাবনা জেলা আ.লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও বিশিষ্ট সংগীত শিল্পীর চির প্রস্থান চা শ্রমিকদের সেবক সংগঠনের উদ্যোগে তিন চা বাগানে শীতবস্ত্র বিতরণ। ‎পাঁচবিবিতে শর্ট পিস ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ‎ ‎পাঁচবিবিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

নববর্ষের শুভেচ্ছায় ও শান্তি শৃঙ্খলায় বাঁচুক দেশের জনগণ

নিউজ ডেস্ক।। আপডেটঃ রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২১ অপরাহ্ণ 43 বার পড়া হয়েছে

সৈয়দা রাশিদা বারী

নতুন বছরের নতুন রেশ।
না হোক সুখের কোন শেষ।
হোক আনন্দের সুষ্ঠু বেশ।
থাকুক ভালো আমার দেশ।

অবশ্যই এই দেশ আমার।অবশ্যই এই দেশ তোমার।অবশ্যই এই দেশ সবার।
দেশ আল্লাহর আশীর্বাদের।

দেশ ভালো তো সব ভালো।মন ভালোতেও সব ভালো।
সবার মধ্যে জাললে আলো।দূর হয়ে যাই সকল কালো।

উস্কানি কিন্তু ভীষণ কালো। রাখবে ভালো থাকবে ভালো।আমার কাছে এই পণ করো।আর নববর্ষের শুভেচ্ছা ধরো।

৯০ বছরের দাদি বুড়ি, লাঠিতে ভর দিয়ে, বয়সের ভারে মাথা ঝাকাতে ঝাকাতে, সর্বাঙ্গনময় কাপতে কাপতে, উপরের ঐ ছড়া কাটতে কাটতে, ঐতিহ্যবাহী মিয়া বাড়ির বড় পুত্রের, বড় পুত্রের ঘরের নাতি বাড়ির বিশাল দেউরি দিয়ে ঢুকলো! যে দেউড়ি গ্রাম গঞ্জের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে সুপারীর খোলা দিয়ে তৈরি!! বিশেষ করে গ্রামের সৈয়দ বাড়ি মিয়া বাড়িতে এরকমটা পূর্বে থাকতো। ওই ঐতিহ্য ধরে রাখেছে এখনো আপডেট যুগে এই পরিবার। তালা মারা লাগেনা, আটকানো থাকে না, কেউ খুলে দিতে হয় না, নিজেই যে কেউ সুপারির খোলা সরিয়ে সরিয়ে আসা যাওয়া করতে পারে। ঢুকলো যে দাদি বুড়ি, উনাকে কেউ ডাকে বুড়িমা, কারো বা বড় মা! কেহ কেহ বলে দাদিজান, নানীজান! মাথা ঠাসা বুদ্ধি নিয়ে ৯০ বছরের ঊর্ধের এই বুড়ির আগমন নাতির বাড়ি! মানুষ বুড়ি হয়ে গেলে তাকে কেউ দেখতে পারে না! অবজ্ঞায় অবহেলায় বৃদ্ধা শরমেও পাঠায়! কিন্তু বুদ্ধি জ্ঞানে ঠাস এই বুড়িকে সবাই ভালোবাসে! কারো বাড়ি পদচিহ্ন পড়লে, তারা ভাবে ধন্য হয়ে গেল আজকের দিন! বুড়ির পিছনে ঢুকে পড়ল বুড়ির অনেকগুলো অন্যান্য কিশোর তরুণ যুবক ইত্যাদি উঠতি বয়সের সজন! অর্থাৎ অন্যান্য ছেলে মেয়ের উঠতি বা উপযুক্ত বয়সী সন্তান সমূহ! উপস্থিত পরিবেশ পরিস্থিতি মোতাবেক বর্ষবরণ, ইংরেজি নব বর্ষের শুভেচ্ছা আজ বুড়ি জানাতে, এক বৈঠক দেবেন। যে আলোচনা যে বক্তব্য হবে, বুড়ি শুনবেন। মন স্থির করে সিদ্ধান্ত জানালেন। ৯০ বছরের বুড়ির সিদ্ধান্তে সবাই এক পায়ে খাড়া তাই সেটাই শুরু হলো। এখানে বুড়ি বাদে সবার হাতেই আছে স্মার্টফোন। একটা মেসেজের উপর ভিত্তি করে, মন্টু নামের যুবক বলল, প্রথমেই আমাকে বলতে দাও, তোমার ছড়া এবং বর্তমান উস্কানিমূলক পোস্ট সমূহের প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে, আমি বক্তব্য রাখবো এখানকার সবার উদ্দেশ্যে। তোমার বংশধরের মানুষ যেন বর্তমান উস্কানিতে সচেতন থাকে। সাবজেক্ট মাননীয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কেন্দ্র করে। এবার দেখুন এবং শুনুন কি বললেন বুদ্ধিদীপ্ত বুড়ির বুদ্ধিদীপ্ত যুবক নাতি:
‘ভাইরে ভাই নানান মুখরোচক বা কটু কথার দরকার কি? বহু মানুষের প্রিয় নেত্রী আগেই মরে গেছেন, কি পরেই … যেটাই হোক না কেন? পরিস্থিতিও সামাজিকতা! অতএব পরিস্থিতির বিষয় মেনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ এবং সভ্যতা। পরিস্থিতি স্বীকার করতেই হয়। নারী মনের বিপক্ষে সমাজের এবং পুরুষের আল্লাহ এবং নবী রাসুল (সা:)’র নির্দেশে অনেক জুলুম শাসন শোষণ মেনে নিয়ে, অত্যাচারী স্বামীর ঘর সংসার করে, সমাজের অনেক নারী! কেন করে বিশৃঙ্খলা না করে? সভ্যতার কারণে। নিশ্চয়ই প্রাণের মানুষের সাথে, অন্য মানুষের বন্ধন অর্থাৎ স্বামী স্ত্রীর যুগল সম্পর্কের মধ্যে অন্য কোন নারী পুরুষের একই সম্পর্কে জড়ানো, নারী পুরুষ অর্থাৎ স্বামী স্ত্রীর কারো পক্ষেই বরদাস্ত করার নয়। মেনে নেওয়ার নয়। যে জিনিসটা পুরুষ পারেনা, সে জিনিসটা নারী পারে কি করে!? এটা খুব জটিল নয়, অনুভব করা, জানা বোঝা অতি সহজ। যে এখানে আধ্যাত্মিকভাবে এক্সট্রা কোন গবেষণা করলেই পেয়ে যাবে উত্তর, তেমন না। উত্তর অতি সাধারণ। যে কেউ বুঝতে পারে। কিন্তু প্রথিতযশা সমাজের নিয়ম, বিধান, হাদিসে বরদাস্ত করাটা ধর্ম ইবাদত ইত্যাদি বলে গৃহীত তাই মানতে হবে এবং শুধুই নারীকে!! মানসিকতার উপরে চাপ ফেলে সতীন মানা সম্ভব পুরুষেরও না, নারীরও না। কিন্তু নারীকেই শুধু চাপিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ হয়েছে ওই জুলুম অত্যাচার! আর নারীকে মেনে নিতে হয় শুধুই সামাজিক সভ্যতা রক্ষার্থে! আর দেশের রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় জাতীয় ভারসাম্যহীন ভারসাম্য, বিধেও পরিস্থিতি কেউ কখনো ইচ্ছা করে আনে না! আপন বলয়েই হয়। দেশজুড়ে মাননীয় সাবেক চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী- বেগম খালেদা জিয়ার উপরে হাহাকার এবং মহান আল্লাহ কর্তৃক তার নিয়তির বন্টন! ভাগ্য অন্বেষণ! দয়াময় আল্লাহর হাতের নিয়ন্ত্রণাধীন- নিয়ন্ত্রণ! মায়ের শারীরিক সংকটময় আল্লাহ প্রদত্ত এ লিপি, সন্তানের কাছে নিশ্চয়ই ব্যথাতুর ছাড়া আনন্দের খবর নয়! জনাব তারেক রহমান, তারেক জিয়ার এ কষ্ট তো সবার কষ্ট! এখানে রহস্য থাকলেও তা কালান্তরের গবেষণার বিষয়বস্তু হলেও, আজকের জন্য অবর্ণনীয় প্রত্যেককে মেনে নিতে হবে। নইলে সেটা হবে অভদ্রতা এবং সভ্যতার পরাজয়!! যেখানে বহু মানুষের প্রিয় মুখ, একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, ভালোবাসার এক নাম, ভালোবাসার মানুষ। তিনি বর্তমান এবং অবর্তমান নিয়ে বিতর্কের মুখে না বললেই ভালো। বেঁচে থাকা একমাত্র পুত্র তারেক রহমান। এই তারেক রহমান তারেক জিয়ার প্রাণপ্রিয় দরদীনি মা জননী, মা বলেও কথা!! অতএব নারীর উপরে করা অন্যায় প্রস্তাব যেমন নারী শান্তভাবেই মেনে নেন! মেনে নিতে হয়! সেই মেনে নেওয়ার মতোই মেনে, নিশ্চুপ এবং শান্ত থাকাটাই উত্তম! আর এটাতেই আছে আল্লাহর রহমত এবং বরকত! তাই অমার্জিত অশ্লীল উদ্ভট এই শব্দগুলো চয়ন বর্জন, পিছনে রাখায় বেস্ট। শুধু বাহ্যিক দৃষ্টিগোচর নয়, সম্মুখ দৃষ্টিগোচর এবং মন থেকেও। রহস্য বা তামাশার কিছুই নেই যা ব্যাক্তি পর্যায়ের কারও নিয়ন্ত্রণের নয়। বিশ্বব্রহ্মের বিশ্ব গবেষক, বিশ্ব বিজ্ঞানী আল্লাহই ভাল জানেন কিছু কিছু বিষয়! সেই সব বিষয় মানুষ মাথায় নিতে হয় না! মানুষের মাথা ঘামানো বৃথা, যুক্তিও নেই! প্রয়োজনও থাকে না! অকাটা বাসের যেমন গোড়া ধরে টানা ঠিক নয়। এমন দায় বহন করা কারো যেমন যুক্তি নাই তেমন প্রয়োজন বোধকরা অন্যায়। শুভ হয়না। ওই সেই উদাহরণ যেমন, পুরুষের সুন্দরী স্ত্রীর উপরেও প্রয়োজন বোধ করলে, আরো স্ত্রী নিতে পারেন জুলুম নির্যাতন করে! পুরুষ জুলুম নির্যাতন করে নির্দোষী স্ত্রীর উপরে একাধিক স্ত্রী আনা যেমন অন্যায় নয় বরং কারণ দর্শানো, বিশ্লেষণ উদঘাটন করা ও মাথা ঘামানো অন্যায়। বাধা দেওয়া অন্যায়! সেটা নিয়ে মাথা ঘামানো বাধা দেওয়া নিষেধ এবং প্রয়োজন নেই! কেউ প্রয়োজন বোধ করলে, অমার্জিত অশ্লীল উদ্ভট কাজ কাম সেটা হবে! একাধিক বিয়েতে ইন্টারেস্টিং এমন পুরুষের ভুক্তভোগী স্ত্রীর নির্মম বেমানান জীবন, শুধু একতরফা পুরুষ স্বামীর সুখের জন্য। অবশ্যই এটাতে শুধু স্ত্রীরা নয়, সন্তানরাও নির্যাতিত হয়। এইসব ক্ষেত্রে উপরে দরদ মমতা দেখানো, মায়া করা অন্যায়, সভ্যতার হানি ঘটানো হয়, তেমন কি প্রয়োজন। যারা ক্রিটিসাইজ উপহাস করা নিয়ে ব্যস্ত আছে, করছে, আমি দুঃখিত! এর নামও সুযোগ নেওয়া! সুযোগে সদ্ব্যবহার করা। ভুক্তভোগীর উপর কষ্ট নিক্ষেপ, কাটার উপরে লবণ ছিটানোর মত হয়! অতএব এসব করা সভ্যতা বা ভালো কাজ নয়। ভালো কাজ ধরা হয় না। এই কারণে সকাল বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় না। সুযোগে সদ্ব্যবহারও করতে হয় না। সুযোগ নেওয়া খারাপ। আসুন না, নতুন বছরের শুরুতে, নতুন বছরটি ভালো কাটাতে, শপথ নিতে পারি এবং নিই পিছনে যা ঘটে গেছে, সেই ব্যথা বঞ্চনা, দ্বিধা গ্লানি লজ্জা, অপমান অপদস্থ এবং দুঃখ জালা বেদনা ভুলে, সবাই সবার মঙ্গলময় জীবন এবং কল্যাণ কামনা করি।’ বাহ মন্ত্রমুগ্ধের মতো সবাই সুনলো! সবাই শপথ ওয়াদা করলো ৯০ বছরের দিদা মনির কাছে, ভালো পথে থাকবে, ভালো কাজ করবে। ইতি মধ্যে মসজিদ থেকে আসা, জহরের আযান, কি সুন্দর ধ্বনিত হয়ে সবাইকে অন্যভাবে বিকশিত করলো। এবার সবাই অজু করতে চলে গেলেন, একসাথেই নামাজ আদায় করবেন বলে!! এক বক্তব্যে আসনে সবাই কি সুন্দর ভালো হয়ে শান্তির পথ বেছে নিলো! বুদ্ধিমান বুড়ির বুদ্ধিমান নাতি! অন্যান্যরাও দারুন সুবোধ! তাদের তারুণ্য ভালো পথেই রাখবে এবং থাকবে। হ্যাঁ, লেখক আমিও আমার পক্ষ থেকে বলছি: ইংরেজি ২০২৬ সালে,
সম্মানীয় বাংলাদেশীরা
নববর্ষের শুভেচ্ছা নাও। এবং বাংলাদেশটা ভালো থাকার প্রতিশ্রুতি দাও। এই দেশের এই মাটির ছেলে, তারেক রহমান, অনেকদিন পরে এই নববর্ষে এখানে আছেন। তার জন্য এবং সবার জন্য এটা আল্লাহর আশীর্বাদ! জনাব তারেক রহমান, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনুসসহ, সকল পর্যায়ের মানুষ, ছোট বড়, ধনী-গরীব, নারী পুরুষ, জাতি ধর্ম বর্ণ, দলমত নির্বিশেষে সবাইকে শুভেচ্ছা, শুভকামনা শ্রদ্ধা ভালোবাসা রইলো। দেশবাসী দেশের সাধারণ জনগণ সবাই আল্লাহর আশীর্বাদ রহমত বরকত পেয়ে ধন্য হোন, ভালো থাকুন। আমিন।

২৮.১২.২০২৫ ইং, দুপুর ১টা, রবিবার।

মন্তব্য

আপলোডকারীর তথ্য

Sohel

আপলোডকারীর সব সংবাদ