রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯ ফাল্গুন, ১৪৩২
শিরোনাম:
রাজশাহীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু কেশবপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিএনপি’র শ্রদ্ধাঞ্জলি কেশবপুরে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ পাঁচবিবিতে শহীদ ও মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভা সাংসদ মোক্তার আলী-কে কেশবপুর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান কেশবপুরে পিএফজি’র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত মেজর জেনারেল (অব.) শরিফ উদ্দিনকে টেকনোক্রেট মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান নেতা-সমর্থকরা পাঁচবিবিতে মুকুলে ভরপুর আমগাছ মোহনপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় চালক নিহত আইন সবার জন্য সমান, অবহেলা বরদাশত নয় — মিনু কেশবপুরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় স্বাগত র‍্যালি কেশবপুরে মাহে রমজানে কলা ও বিভিন্ন ফলের দাম ঊর্ধ্বমুখী, চরম ভোগান্তিতে ক্রেতারা পাঁচবিবিতে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে স্বপনকে ফিরে পেতে বৃদ্ধ মায়ের আকুতি জয়পুরহাট জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হলেন পাঁচবিবির আফরোজা খানম চৌধুরী ভাই হারানোর কথা বাংলাদেশের আকাশে রমজানের চাঁদ পাঁচবিবি পৌর বাসির দুর্ভোগ লাঘবে ইউএনওর মানবিক চেষ্টা পাঁচবিবিতে মাছ চাষ বিষয়ক প্রদর্শনী ও সভা অনুষ্ঠিত তোমাদের মানবতার জয় হোক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী মর্যাদা) হিসেবে নিয়োগ পেলেন রেহান আসিফ আসাদ রাতুল পাঁচবিবিতে হলুদের চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে পাঁচবিবিতে সৌর বিদ্যুত ব্যাবহারে আলু ও মাছ চাষ খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের আংশিক কমিটি গঠন, শাহীন সভাপতি- নজরুল সম্পাদক কেশবপুরে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা পাঁচবিবিতে সুষ্ঠ নির্বাচন ও নির্বাচনত্তোর সহিংসতা রোধে প্রসংশিত ইউএনওর সেলিম আহমেদ রাজশাহীতে এএসপি ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকে মামলা, কেশবপুরে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার রাজশাহী-২ আসনে বড় ব্যবধানে মিনুর জয়, নগর রাজনীতিতে কেশবপুরে মধ্যকুল মহিলা আলিম মাদ্রাসায় ২জন শিক্ষকের যোগদান কেশবপুরে নির্বাচন পরবর্তী মতবিনিময় করেন আবুল হোসেন আজাদ

রাজশাহীতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু

নিউজ ডেস্ক।। আপডেটঃ শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ 12 বার পড়া হয়েছে

মোঃ ফয়সাল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি রাজশাহী:-
শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে রাজশাহী কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু।
মহান ভাষা আন্দোলনের প্রায় ৭৪ বছর পর অবশেষে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার পেল রাজশাহীর মানুষ। নগরীর রাজারহাতা এলাকায় জেলা পরিষদের উদ্যোগে প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত রাজশাহী কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের একটি প্রত্যাশার অবসান ঘটেছে। একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে নবনির্মিত মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা এক মিনিটে শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। এ সময় রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন, রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন শেষে শহিদ মিনারটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এরপর রাজনৈতিক দল, সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষ শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ভরে ওঠে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহীতে একটি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। সেই দাবির প্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ১৬ ডিসেম্বর নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন রাজশাহী জেলা পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল। জেলা পরিষদের মালিকানাধীন সরকারি সার্ভে ইনস্টিটিউট নগরীর নওদাপাড়ায় স্থানান্তরিত হলে রাজারহাতায় প্রায় এক বিঘা জমি খালি হয়। পরবর্তীতে ওই জমিই কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়।
তবে জেলা পরিষদ ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মধ্যে মালিকানা ও বাস্তবায়নসংক্রান্ত জটিলতার কারণে নির্মাণকাজ কিছু সময় স্থবির হয়ে পড়ে। পরে জেলা পরিষদের নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পের কাজ পুনরায় শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত নির্মাণ সম্পন্ন হয়। আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই শহিদ মিনারটি এখন রাজশাহীর নতুন এক প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়েছে। রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, মহান ভাষা আন্দোলন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এবং ভাষাসহ সকল শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের লক্ষ্যেই এই শহিদ মিনার নির্মাণ করা হয়েছে। এটি রাজশাহীবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, যা আজ বাস্তবায়িত হয়েছে।
উদ্বোধনের পর একুশের প্রথম প্রহরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষ সারিবদ্ধভাবে শহিদ মিনারে ফুল দেন। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের সুরে প্রাঙ্গণ মুখর হয়ে ওঠে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার পাওয়ায় রাজশাহীবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের আশা, এই শহিদ মিনার শুধু শ্রদ্ধা নিবেদনের স্থানই নয়, ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ ও প্রজন্মের মাঝে তা ছড়িয়ে দেওয়ার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে।

মন্তব্য

আপলোডকারীর তথ্য

Sohel

আপলোডকারীর সব সংবাদ