এস চাঙমা সত্যজিৎ
স্টাফ রিপোর্টারঃ
ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৯ বছরে পদার্পণ করেছে আজ। এই ঐতিহাসিক চুক্তি ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে হয়েছিল। পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্মো অধিবাসীদের পক্ষে চুক্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্মো জনগণ তাদের জাতীয় ও জন্মভূমির অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনে দীর্ঘ দুই যুগের অধিক সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সরকারকে চুক্তি করতে বাধ্য করেছিল। কিন্তু চুক্তি স্বাক্ষরের আজকে ২৮ বছর পূর্ণ হলেও পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্মো জনগণের ঠিকে থাকার যে অবস্থা সেটি ম্লান হতে চলেছে। জুম্মো জনগণ মনে করেছিল এই চুক্তির মধ্য দিয়ে তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার নূন্যতম একটি অবস্থা সৃষ্টি হবে। জুম্মো জনগণের সেই আশা গুড়েবালিতে পরিণত হয়েছে। বরঞ্চ চুক্তির পরবর্তীতে জুম্মো জনগণের উপর নেমে আসে শোষণ, বঞ্চনা, গ্লানি, নিপীড়ন, অবিচার তথা উগ্রজাতীয়তাবাদ, মৌলবাদ, ইসলামি সম্প্রসারণবাদের প্রতারণা, সাম্প্রদায়িক হামলা, ভূমি বেদখল, মা-বোনের ইজ্জত লুন্ঠন ও সেনা শাসনের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। চুক্তির ২৮ বছর পূর্ণ হলেও এখনও মৌলিক ধারাগুলো বাস্তবায়ন হয়নি ফলে সমস্যা জটিল থেকে জটিলের দিকে ধাবিত হচ্ছে। চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে মাত্র ২৫টি ধারা বাস্তবায়িত, ১৮টি ধারা আংশিক বাস্তবায়িত এবং অবশিষ্ট ২৯টি ধারা সম্পূর্ণরুপে অবাস্তবায়িত অবস্থায় রয়েছে। চুক্তির মৌলিক বিষয়গুলোর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় অধ্যুষিত অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের আওতাধীন বিষয় ও কার্যাবলী কার্যকরণ এবং উক্ত পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিতকরণ; পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন এর বিধিমালা চূড়ান্তকরণ, আভ্যন্তরীণ জুম্ম উদ্বাস্তু ও ভারত প্রত্যাগত জুম্ম শরনার্থীদের জায়গা-জমি প্রত্যর্পণ ও তাদের নিজস্ব জায়গা-জমিতে পুনর্বাসন, চুক্তির সাথে সামঞ্জস্য বিধানের জন্য অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আইনসমূহ সংশোধন, অস্থানীয়দের নিকট প্রদত্ত ভূমি ইজারা বাতিলকরণ, পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল চাকুরীতে জুম্মদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিন পার্বত্য জেলার স্থায়ী অধিবাসীদের নিয়োগ ইত্যাদি বিষয়গুলো বাস্তবায়নে কোন সরকার অদ্যাবধি কোন ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। বিশেষ করে চুক্তি স্বাক্ষরকারী আওয়ামীলীগ সরকার দীর্ঘ বছর ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকলেও চুক্তি বাস্তবায়ন করেন। অপরদিকে গণঅভ্যুথানের মাধ্যমে আসা অন্তর্বর্তী সরকারও আজ পর্যন্ত চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়ে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি
ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৮ বছর আজ। ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীদের পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণ তাদের জাতীয় ও জন্মভূমির অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনে দীর্ঘ দুই যুগের অধিক সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সরকারকে চুক্তি করতে বাধ্য করেছিল। কিন্তু চুক্তি স্বাক্ষরের আজকে ২৮ বছর পূর্ণ হলেও পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণের ঠিকে থাকার যে অবস্থা সেটি ম্লান হতে চলেছে। জুম্ম জনগণ মনে করেছিল এই চুক্তির মধ্য দিয়ে তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার নূন্যতম একটি অবস্থা সৃষ্টি হবে। জুম্ম জনগণের সেই আশা গুড়েবালিতে পরিণত হয়েছে। বরঞ্চ চুক্তির পরবর্তীতে জুম্ম জনগণের উপর শোষণ, বঞ্চনা, গ্লানি, নিপীড়ন, অবিচার তথা উগ্রজাতীয়তাবাদ, মৌলবাদ, ইসলামি সম্প্রসারণবাদের প্রতারণা, সাম্প্রদায়িক হামলা, ভূমি বেদখল, মা-বোনের ইজ্জত লুন্ঠন ও সেনা শাসনের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
চুক্তির ২৮ বছর পূর্ণ হলেও এখনও মৌলিক ধারাগুলো বাস্তবায়ন হয়নি ফলে সমস্যা জটিল থেকে জটিলের দিকে ধাবিত হচ্ছে। চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে মাত্র ২৫টি ধারা বাস্তবায়িত, ১৮টি ধারা আংশিক বাস্তবায়িত এবং অবশিষ্ট ২৯টি ধারা সম্পূর্ণরুপে অবাস্তবায়িত অবস্থায় রয়েছে। চুক্তির মৌলিক বিষয়গুলোর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয় অধ্যুষিত অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের আওতাধীন বিষয় ও কার্যাবলী কার্যকরণ এবং উক্ত পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিতকরণ; পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন এর বিধিমালা চূড়ান্তকরণ, আভ্যন্তরীণ জুম্ম উদ্বাস্তু ও ভারত প্রত্যাগত জুম্ম শরনার্থীদের জায়গা-জমি প্রত্যর্পণ ও তাদের নিজস্ব জায়গা-জমিতে পুনর্বাসন, চুক্তির সাথে সামঞ্জস্য বিধানের জন্য অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আইনসমূহ সংশোধন, অস্থানীয়দের নিকট প্রদত্ত ভূমি ইজারা বাতিলকরণ, পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল চাকুরীতে জুম্মদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিন পার্বত্য জেলার স্থায়ী অধিবাসীদের নিয়োগ ইত্যাদি বিষয়গুলো বাস্তবায়নে কোন সরকার অদ্যাবধি কোন ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
বিশেষ করে চুক্তি স্বাক্ষরকারী আওয়ামীলীগ সরকার দীর্ঘ বছর ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকলেও চুক্তি বাস্তবায়ন করেন। অপরদিকে গণঅভ্যুথানের মাধ্যমে আসা অন্তর্বর্তী সরকারও আজ পর্যন্ত চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়ে কোন উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

নিউজ ডেস্ক।।
প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫ । ১:০৩ অপরাহ্ণ